হানিমুন করা হলো না বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সাথীর

রবিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৯

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার সাথীর সঙ্গে ইমরানের বিয়ে হয় ঈদুল আজগার এক সপ্তাহ আগে। আনন্দ মুখোর ছিল পরিবার। কথা ছিল ঈদের পর বিয়ের উৎসব ও হানিমুন করবেন সাথী। কিন্তু ভাগ্য তা হতে দিলো না। সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল সাথীসহ আরও ৪ জনের প্রাণ।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার ঢাকা সিলেট মহাসড়কের কারারচর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী পরিবহন বাস-প্রাইভেটকারের মুখোমুখী সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীসহ ৪ জন নিহত হয়।

মেহেদির রং এখনও মোছেনি। যায়নি বিয়ে বাড়ির ধুম। এরই মধ্যে নবদম্পতিসহ ৪ জনের মৃত্যুর খবরে শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে নিহতের পরিবার। স্বজন হারানোর বেদনায় কাতর হয়ে গেছেন নিহতের স্বজনরা। মৃত্যুর খবরে ছুটে গেছেন হাসপাতাল চত্বরে। স্বজনদের হৃদয় বিদারক আর্তনাদ আর কান্নায় ভারী হয়ে উঠে হাসপাতাল চত্বর।

নিহতরা হলেন প্রাইভেটকারের যাত্রী ঢাকার মিলেনিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ’র শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার সাথী (২৬), তার স্বামী ইমরান হোসেন (৩৫),বান্ধবী জান্নাত রাইসা (২৫) ও বন্ধু আকিবুল হাসান (২৭)।

নিহত সাদিয়া আক্তার সাথী বগুড়া জেলার মোশাররফ হোসেনের মেয়ে। এবং তার স্বামী ইকরাম নোয়াখালীর আবু হানিফের ছেলে। তিনি ঢাকায় ডেকোরেটরের ব্যবসা করতেন।