বার্সাকে কাঁদিয়ে ফাইনালে লিভারপুল

বুধবার, মে ৮, ২০১৯

স্পোর্টস ডেস্ক : অবিশ্বাস্য একটি ম্যাচ। সেই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে লিভারপুল। বার্সেলোনার মতো একটি দলের বিপক্ষে প্রথম লেগে ৩-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও ফিরতি লেগ ৪-০ ব্যবধানে জিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠেছে অলরেডরা।

লিভারপুরের সেরা তারকা সালাহ নেই, গোল মেশিন ফিরিমিনো নেই, দুর্দান্ত খেলা কেইটাও ছিলেন না এদিন। তবুও যেভাবে অ্যানফিল্ডে বার্সাকে এক রকম বিধ্বস্ত উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল নিশ্চিত করে লিভারপুল। আসলে সেটা হার মানায় রূপকথার গল্পকেও। অথচ প্রথম লেগে ৩-০ গোলে হেরে অনেকটা পিছিয়ে পড়ে লিভারপুল!

বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাব বার্সেলোনার স্টেডিয়াম ন্যু ক্যাম্পে প্রথম লেগের খেলায় বড় ব্যবধানে জয়ের কারণে বার্সার ফাইনালে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত ধরে রেখেছিল। কিন্তু জানে সালাহ-ফিরিমিনোবিহীন এই ম্যাচে লিভারপুল এমনি ভাবে ঘুরে দাঁড়াবে! যা হয়তো কেউ স্বপ্নেও ভাবেনি। তবে সেই স্বপ্নকেই বাস্তবে রূপ দিলেন ক্লপের শিষ্যরা।

বার্সা সুপারস্টার মেসি এদিন নিস্প্রভ ছিলেন। প্রথম লেগের খেলায় ২টি গোল করলেও ফিরতি লেগের এই ম্যাচে কোন গোল পাননি বার্সা অধিনায়ক মেসি।

এদিকে ম্যাচ শুরুর ৭ মিনিটেই গোলের দেখা পায় লিভারপুল। গোলটি করেন অরিগি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ক্লপের শিষ্যদের। ৪টি গোল দিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকেই বিদায় করে দেন অতিথি বার্সেলোনাকে।

অরিগি ও ভেইনালডাম এই ম্যাচে জোড়া গোল করেন। ম্যাচ শুরুর ৭ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল ও ৭৯ মিনিটের মাথায় দ্বিতীয় গোলটি করেন অরিগি। আর ম্যাচের ৫৪ ও ৫৬ মিনিটে দুটি গোল করেন ভেইনালডাম।

এদিন অবশ্য বল দখলে মেসি বাহিনী এগিয়ে থাকলেও আক্রমণে সফল ছিল রেড ডেভিলদের। ম্যাচের ৫৮ শতাংশ সময় বল ছিল বার্সার দখলে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেন নি মেসিরা।

অন্যদিকে একর পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে রেড ডেভিলরা। বার্সার গোল বার লক্ষ্য করে ২০টি শট নেয় লিভারপুল। এর মধ্যে ভালভার্দের শিষ্যদের হতাশ করে ৪টিই জড়ায় বার্সার জালে। ফলস্বরুপ ম্যাচটি জিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠেছে অলরেডরা।