সূচক-লেনদেন দুটিই কমেছে

শুক্রবার, মার্চ ৮, ২০১৯

ঢাকা : আরও একটি মন্দা সপ্তাহ পার করেছে দেশের পুঁজিবাজার। গত সপ্তাহে দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর হারিয়েছে। কমেছে সবগুলো সূচক। কমেছে লেনদেনের পরিমাণও।

বিশ্লেষকদের মতে, তারল্য সঙ্কটের কারণে বাজার গতি পাচ্ছে না। আর নানা কারণে বাজারে এই তারল্য সঙ্কট চলছে। কিছু ব্যাংক ঋণ-আমানত অনুপাতের (ADR Ratio) নির্ধারিত সীমার উপরে অবস্থান করায় বাংলাদেশ ব্যাংক ৩১ মার্চের মধ্যে তা সমন্বয়ের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল।

এ কারণে এসব ব্যাংক ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো (মূলত ব্রোকারহাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংক) বাজারে নতুন বিনিয়োগ প্রায় বন্ধ করে দেয়। শুধু তাই নয়, কিছু ব্যাংক এডিআর রেশিও সমন্বয়ের জন্য উল্টো শেয়ার বিক্রি করেছে। এ সংক্রান্ত একটি মনস্ত্বাত্ত্বিক চাপও ছিল বাজারে। এছাড়া সম্প্রতি বেশিরভাগ ব্যাংক মেয়াদী আমানতের সুদের হার বাড়িয়েছে। তাতে কিছু তহবিল পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংকমুখী হয়েছে। এছাড়া আইপিও ও প্লেসমেন্টের জন্যেও বেশ কিছু টাকা বের হয়ে গেছে।

আলোচিত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় ৬৬ শতাংশ কোম্পানি শেয়ারের দর হারিয়েছে। মাত্র ২৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এ সময়ে ডিএসইতে মূল্যসূচক কমেছে দশমিক ২৮ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ১৮ দশমিক ১৭ শতাংশ।

গত সপ্তাহে সরকারি ছুটির কারণে একদিন কম লেনদেন হয়েছে। চার দিনে ডিএসইতে ৪ কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৯৭৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। আগের সপ্তাহে পাঁচ কর্মদিবসে বেচাকেনা হয়েছিল ২ হাজার ৯১৩ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার। গত সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৫৯৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৭২৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।