চকবাজার অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়েছে ভারতের গোয়েন্দা বাহিনী ‘র’

রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৯

ঢাকা : গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী অভিযোগ করে বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড আর চকবাজার অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়েছে ভারতের গোয়েন্দা বাহিনী ‘র’। সম্প্রতি তাদের সঙ্গে যোগ হয়েছে ইসরালি গোয়েন্দা বাহিনীর বলেও জানান তিনি।

রোববার দুপুরে পুরানো পল্টন মুক্তিভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির উদ্যোগে ‘২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা ট্র্যাজেডি’ স্মরণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীকে একটি বিদেশি রাষ্ট্রের পদানত করে রাখা। সামরিক শক্তিতে বলিয়ান হয়ে আমরা বাংলাদেশকে রক্ষা করতে যেন ব্যর্থ হই, আমাদেরকে যেন অন্যের দয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে হয়, সে রকমের একটা প্রচেষ্টা থেকেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে চকবাজার অগ্নিকাণ্ডের যোগসূত্র রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল বাংলাদেশকে সামরিকভাবে পঙ্গু করার চেষ্টা। ঠিক একইভাবে ২০ ফেব্রুয়ারি চকবাজারের ঘটনাটা ছিল বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার প্রচেষ্টা।

তিনি বলেন, চকবাজারের ঘটনা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, ভারতের নকল মালের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী কেরাণীগঞ্জ আর চকবাজার। এই কেরাণীগঞ্জ আর চকবাজারই ভারতের নকল মালকে অনুকরণ করতে পারে, তার বিপক্ষে দাঁড়াতে পারে। অর্থাৎ ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার একমাত্র প্রতিবন্ধক চকবাজার-কেরাণীগঞ্জ।

‘মাদার অব ডেমোক্রেসিকে কারাগারে রেখে লন্ডনে বসে আর কতদিন মায়াকান্না করবেন। আপনারা দুটি কাজ করতে পারেন-যাদের নামে গায়েবি মামলা দিয়েছে সেই ১০ হাজার লোক হাইকোর্টের ময়দানে বসেন।

আর যারা আছেন আপনারা ভ্যানগাড়ি করে হলেও সারা দেশে খালেদা জিয়ার মুক্তি চান। আমি আপনাদের সঙ্গে আছি,’ বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্নেল (অব.) কামরুজ্জামান খান, মেজর (অব.) ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন, মেজর (অব.) মো. হানিফ, মেজর (অব.) সাইদুল ইসলাম, মেজর (অব.) আহম্মেদ ফেরদৌস, সৈয়দ এহসানুল হুদা, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।