কানাডায় মদ-সিগারেট-শূকরের মাংসে মত্ত সেই সৌদি তরুণী

শুক্রবার, জানুয়ারি ১৮, ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শরণার্থী হিসেবে কানাডায় আশ্রয় নেয়া আলোচিত সৌদি তরুণী রাহাফ মোহাম্মদ মদ-সিগারেট-শূকরের মাংসে মত্ত হয়ে পড়েছেন। আর এসব কর্মকাণ্ডের ছবি তিনি নিজেই তার টুইটারে পোস্ট করছেন। কানাডায় যাওয়া তার ‘স্টান্টবাজি’ বলেও দাবি করছেন অনেকে।

রাহাফ পরিবার থেকে পালিয়ে থাইল্যান্ড যাওয়ার পর নিজ দেশে ফিরলে পরিবারের লোকজন তাকে মেরে ফেলবেন এমন আশংকায় তিনি কানাডায় শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছেন। কানাডাতে গিয়েই শুরু করেছেন বেপরোয়া জীবন-যাপন।

সম্প্রতি তিনি, শুকরের মাংস পোস্ট করে করে লিখেন, ‘ওএমজি বেকন’। উল্লেখ্য বেকন মানে শূকরের মাংস। আর শূকরের মাংস ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক হারাম বা নিষিদ্ধ।

শুধু শূকরের মাংসের ছবি দিয়েই ক্ষান্ত হননি তিনি। এই এই ছবির সঙ্গে তিনি মদ ও সিগারেটের টুকরোর ছবি দিয়েছেন এবং লিখেছেন যে এগুলো তিনি দারুণ উপভোগ করছেন! তার দেশ সৌদি আরবে মদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সৌদির আইনে মদপান দণ্ডনীয় অপরাধ। মদপানে ধরা পড়লে তাকে কারাগারে যেতে হয়।

এছাড়া স্বল্প বসনে রাহাফ কফি খাওয়ার ছবিও পোস্ট করেছেন। কুকুরের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন ‘স্বাধীনতা উপভোগ করছি’।

সৌদি তরুণী রাহাফ গত রবিবার কানাডায় পৌঁছেন। এর আগে শনিবার পর্যন্ত তিনি থাই বিমানবন্দরের একটি হোটেলে ছিলেন। যেখান থেকে তাকে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। সৌদি আরবে জীবনের হুমকি নিয়ে কানাডায় আশ্রয় নিয়েছেন রাহাফ। কানাডার সরকার তাকে শরণার্থীর মর্যাদা দিয়ে আশ্রয় দিয়েছে।

সৌদি আরবে ফেরত পাঠানোর আশঙ্কায় ব্যাংকক বিমানবন্দরে হোটেল কক্ষে নিজেকে স্বেচ্ছায় বন্দি করে বিশ্ব গণমাধ্যমের নজর কাড়েন ১৮ বছর বয়সী এ তরুণী। তার আশঙ্কা ছিল- সৌদি আরবে তাকে ফেরত পাঠালে পরিবার তাকে হত্যা করতে পারে। যদিও তার পরিবার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

রাহাফের থাই বিমানবন্দরে স্বেচ্ছা বন্দি, কানাডায় আশ্রয়কে ফন্দি হিসেবেও দেখছেন অনেকে।