পরকীয়ার টানে দেবরের সাথে দুই সন্তানের জননী

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৭, ২০১৯

গাজীপুর : গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামী ও ২ সন্তান ফেলে রেখে পালিয়ে গিয়েছে এক জননী। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা কাওরাইদ ইউনিয়নের বিধাই গ্রামে।

সরেজমিন ও পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, বিধাই গ্রামে জালাল উদ্দিনের ছেলে আক্তারোজ্জামান (৩২) প্রায় ১৪ বছর পূর্বে ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানা পাচুলী গ্রামের সুরুজ মিয়ার কন্যা জেসমিন আক্তর (২৪) সাথে বিবাহ হয়। বিবাহের পর ঘরসংসার করা কালে তারা জাহদি হাসান দুর্জয় (১১) ও জারিদ হাসান জিহান (৫)নামের ২টি ছেলে সন্তানের জনক-জননী হন।

উপজেলার বিধাই গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর (২৭) চাচাত ভাই সাথে পরিচয় হয়। সেই সুবাদে জাহাঙ্গীর বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। বেশ কিছু দিন কথা বার্তার মাধ্যমে এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক জড়িয়ে পড়ে তারা।

আক্তারুজ্জামান জানান,আমার চাচা লাল মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর প্রাই সময় আমার অনুপস্থিতিতে আমার বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। বিষয়টি আমি টের পেয়ে তাকে আমার বাড়িতে আসতে নিষেধ করি। তবু তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে । পরে তার সাথে শারিরিক সম্পর্কও গড়ে উঠে।

এর জের ধরে আমার স্ত্রী জেসমিন আক্তর প্রাই সময় আমার সাথে ঝগড়া বিবাদ করতো। গত ১০/০১/২০১৯ ইং সন্ধা অনুমান ৮টার দিকে রাতে কাবার দাবার শেষে আমি ও আমার স্ত্রী সন্তান সকলেই একসাথে ঘুমিয়ে পড়ি। অত:পর রাত চারটার সময় আমি ঘুম হইতে উঠে দেখি আমার স্ত্রী ঘরে নাই।পরে অনেক খোঁজাখুজির পর জানতে পারলাম আমার চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীরের সাথে চলে গেছে।

এসময় আমার স্ত্রী জেসমিন ঘরে থাকা ১লক্ষ ৮০হাজার নগত টাকা ও তিন ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার যার মূল্য ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকাসহ অনেক কিছু নিয়ে চলে গেছে । এখন এবিষয়ে আমার শশুর বাড়ির লোকজন আমাকে মামলার হুমকী দিচ্ছে।

স্থানীয় সাবেক মেম্বার আফাজ উদ্দিন জানান,ঘটনাটি আমাকে জানানোর পর (১৬ জানুয়ারি ২০১৯ইং) বুধবার সকাল সারে ১০টার দিকে বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষকে ডেকে বসেছিলাম। লাল মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর, জালাল উদ্দিনের ছেলে আক্তারুজ্জামান এর স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার কথা সিকার করলে আমি লাল মিয়াকে জেসমিনকে খোঁজে বের করে দেওয়ার জন্য এবং আক্তারুজ্জামানকে সহযোগিতা করার কথা বলেছি।

শ্রীপুর থানার এস আই রমজান আলী জানান, এ বিষয়ে শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আক্তারুজ্জামান, পরকিয়ার টানে তার স্ত্রী চলে গেছে। বিধাই গ্রামে গিয়ে ঘটনার বিস্তারিত জানা হয়েছে। আরো তদন্ত চলছে ।