আজানের জবাবের গুরুত্ব

বুধবার, জানুয়ারি ১৬, ২০১৯

ঢাকা : আজানের শাব্দিক অর্থ হলো জানিয়ে দেয়া, আহ্বান করা, নামাজের জন্য আহ্বান করা, জামাআতে নামাজ আদায়ের প্রতি মানুষকে আহ্বানের উচ্চ আওয়াজই হলো আজান। আর এই আজানের জবাব দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত।

আজান যখন হয় তখন কোরআন তেলাওয়াত বন্ধেরও নির্দেশ এসেছে। হাদিস শরিফে এসেছে, যে ব্যক্তি প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত আজানের জবাব দেবে, আজানের পর দুরূদ ও দোয়া পড়বে, আল্লাহপাক তাকে দুনিয়ার জীবনে পরিশুদ্ধ করবেন এবং রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাল কেয়ামতের ময়দানে সুপারিশ করে তাকে জান্নাতে নিয়ে যাবেন।

আল্লাহপাক আজানের জবাব দেওয়া বান্দার জন্য সুন্নত করেছেন। তার কারণ হলো, জবাব দিলে বান্দার উপকারে আসে ।মুয়াজ্জিনের আজানের আওয়াজ যতদূর যাবে ততদূরের সবকিছুই কাল কেয়ামতের ময়দানে মুয়াজ্জিনের জন্য সাক্ষ্য দেবে। মুয়াজ্জিনের আজানে সাড়া দিয়ে যে ব্যক্তি নামাজ পড়তে আসবে এবং তার যত সওয়াব হবে মুয়াজ্জিনেরও সেই পরিমাণ সওয়াব হবে।

মুয়াজ্জিন আল্লাহর প্রতিনিধি। আল্লাহর ডাকের জবাব দেওয়া অবশ্য কর্তব্য। কিন্তু মানুষ যেহেতু দুনিয়ার নানা কাজে মশগুল থাকে তাই আল্লাহপাক আজানের জবাব দেওয়াকে ওয়াজিব বা ফরজ করেননি।