সুদ সম্পর্কে ইসলাম কি বলে?

মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৫, ২০১৯

ঢাকা : ইসলামে ‘সুদ’কে সম্পূর্ণভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ সুদ হচ্ছে শোষণের হাতিয়ার। সুদ খাওয়া মারাত্মক কবিরা গুনাহ। নামে-বেনামে যেভাবেই হোক না কেন সুদের পরিণাম ভয়ঙ্কর।

তাই তো মহান আল্লাহ সুদকে হারাম করেছেন এবং সুদি কারবার চালিয়ে যাওয়াকে আল্লাহ ও তার রসুলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত থাকার সমতুল্য অপরাধ বলে ঘোষণা করেছেন। খুব ভালোভাবে স্মরণ রাখতে হবে আল্লাহ ও তার রসুলের দৃষ্টিতে সুদগ্রহিতা যেমন অভিশপ্ত ঠিক তেমনিভাবে সুদদাতা, সুদের রক্ষক, সুদের সাক্ষী ও সুদের সহযোগিতাকারী সবাই আল্লাহ ও তার রসুলের দৃষ্টিতে অভিশপ্ত।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক ৭টি আয়াত, ৪০টিরও অধিক হাদীস এবং ইজমা দ্বারা সুদের নিষিদ্ধতা প্রমাণিত।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন : ‘যারা সুদ খায় তারা কিয়ামতের দিন (কবর থেকে) ঐ ব্যক্তির ন্যায় ওঠবে যাকে শয়তান আছর করে মাতাল করে দিয়েছে। এ ধরনের শাস্তির কারণ এই যে, সুদখোর লোকেরা বলত, বেচা-কেনাতো সুদেরই মতো। অথচ আল্লাহ তা’আলা বেচা কেনাকে হালাল করেছেন আর সুদরকে করেছেন হারাম।’ সূরা আল বাক্বারাহ ২: ১৭৫।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুষদাতা ও ঘুষ গ্রহীতা এবং ঘুষের দালাল সকলের উপর অভিসম্পদ করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘ঘুষদাতা ও ঘুষগ্রহীতা উভয়েই জাহান্নামে যাবে।’