৭ দফা নিয়ে শেখ হাসিনার কার্যালয়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা

রবিবার, অক্টোবর ২৮, ২০১৮

ঢাকা: অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ ঘোষিত ৭ দফা দাবি নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কার্যালয়ে যাচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একটি প্রতিনিধিদল।

রবিবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি। সেখানে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি পৌঁছে দেবে বলে জানা গেছে।

প্রতিনিধিদলে আছেন- গণফোরোমের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসিন মন্টু ও সাবেক ছাত্রনেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুরসহ আরও তিন জন।

ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবিগুলোর মধ্যে-
১. (ক) বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার (খ) সব বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মুক্তি, সাজা বাতিল ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার (গ) নির্বাচনের ফলাফল চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাজনৈতিক মামলা স্থগিত রাখা ও নতুন মামলা না দেয়ার নিশ্চয়তা (ঘ) পুরনো মামলায় কাউকে গ্রেফতার না করা (ঙ) কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, সাংবাদিকদের ন্যায্য আন্দোলন এবং সামাজিক ও গণমাধ্যমে মতপ্রকাশের অভিযোগে গ্রেফতার ছাত্রছাত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির নিশ্চয়তা দিতে হবে।

২. আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আগে বর্তমান সংসদ ভেঙে দিতে হবে।

৩. রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে। নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

৪. আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।

৫. নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা নিশ্চিত এবং সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে তাদের ওপর কোনো ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ না করা।

৬. সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগ নিশ্চিত করা। নির্বাচনের এক মাস আগে থেকে নির্বাচনের পরের ১০ দিন পর্যন্ত মোট ৪০ দিন সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত করতে হবে। এবং

৭. নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের চিন্তা ও পরিকল্পনা বাদ দিতে হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর যুগোপযোগী সংশোধন করতে হবে।