শেরপুর-৩ আসন

গণ সংযোগে ব্যস্ত আওয়ামী লীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী নাসরিন

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৮

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন শেরপুর-৩ (ঝিনাইগাতী- শ্রীবরদী) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী শেরপুর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নাসরিন বেগম ফাতেমা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এ আসনের ২টি উপজেলায় গনসংযোগের মাধ্যমে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময়ের পাশাপাশি সাধারন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই মাঠ ছাড়ছেন না। ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরর্দী উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের সাধারন মানুষকেই তিনি আপন করে নিয়েছেন। বিপদ আপদে সাধারন মানুষের ডাকে সাড়া দেয়ার পাশাপাশি দুই উপজেলায় ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, দরিদ্র পরিবারের ছেলে-মেয়েদের স্কুল- কলেজের ভর্তি ফি, বই, খাতা, কলম কিনে দেয়া, অসহায় রোগীদের চিকিৎসা, প্রতিবন্ধি শিশুদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ, দুস্থ রোগীদের চিকিৎসার্থে রোগী কল্যান তহবিলে অনুদান, অসহায় নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পূঁজিসহ সেলাই মেশিন বিতরণের পাশাপাশি অসংখ্য দরিদ্র মেয়েদের বিবাহ দেয়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে তার দান-অনুদান। এ ধরনের সামাজিক কর্মকান্ড দীর্ঘদিন থেকেই করে আসছেন তিনি। ইতিমধ্যেই দুই উপজেলায় সাধারন মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় নেত্রী ও দানবীর হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। তিনি ছাত্রী জীবন থেকেই আওয়ামী সংগঠনের সাথে জড়িত। ১৯৯১ সালে তিনি ছাত্রলীগে যোগদান করেন। ৯২ সালে শেরপুর সরকারী মহিলা কলেজে ছাত্র মিলনায়তন সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সাল থেকে তিনি শেরপুর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। বর্তমানে আওয়ামী সংগঠনের বিভিন্ন শাখা প্রশাখাসহ ডজন দুয়েক সামাজিক সংঠনের দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। তিনি এম.এ পাশ করে শিক্ষকতার পাশাপাশি নানা ঘাত-প্রতিঘাত ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক জীবন পার করে আসছেন। ৯৬ সাল থেকেই তিনি শেরপুর-৩ আসনের আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়ে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। এ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক ছাড়াও আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন ১৫ জন। তাদের মধ্যে জনপ্রিয়তার দিক থেকে নাসরিন বেগম রয়েছেন শীর্ষে। তিনি গত ২২ বছর ধরে ক্ষমতাসীন দলের জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসলেও দলীয় কোন সুযোগ-সুবিধা তিনি ভোগ করেননি। শুধু দলের জন্য তিনি দিয়েই এসেছেন। এ দীর্ঘ সময়ে অতিতে ৪বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন চেয়ে তিনি বঞ্চিত হন। কিন্তু তিনি মাঠ ছাড়েননি। দুই উপজেলার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ করে আসছেন। সভা-সমাবেশের পাশাপাশি ইতিমধ্যেই তিনি কয়েক দফায় সহশ্রাধিক মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারের শোভাযাত্রা ও সুধী সমাবেশও করেছেন। সব মিলে বর্তমানে এলাকার সাধারন মানুষ আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায় নাসরিন বেগম ফাতেমাকে। নাসরিন বেগম ফাতেমা বলেন, নারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা, দেশরত্ন, জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশ্যই আমাকে মনোনয়ন দিবেন। আর আমাকে মনোনয়ন দিলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে নেত্রীকে আসনটি উপহার দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।