ছয় হাজার কোটি টাকা বিদেশি বিনিয়োগ আনছে পদ্মা ব্যাংক

শনিবার, অক্টোবর ৯, ২০২১

ঢাকা: প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ আনছে বেসরকারি খাতের পদ্মা ব্যাংক। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক খ্যাতনামা বিনিয়োগ ব্যাংক ডেল মর্গান অ্যান্ড কোম্পানির সঙ্গে বেশ কিছু দিন আগেই ব্যাংকটির এ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বিদেশি বিনিয়োগের অংশীদারিত্বে চতুর্থ প্রজন্মের পদ্মা ব্যাংক এখন পুঁজির বিকাশ ঘটার দ্বারপ্রান্তে দঁড়িয়ে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এহসান খসরু।

শনিবার পদ্মা ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখা স্থানান্তর পরবর্তী আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও গ্রাহক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা জানান।

পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড দেশজুড়ে ৫৮টি শাখার মাধ্যমে গ্রাহকদের ব্যাংকিং সেবা দিয়ে আসছে।

এহসান খসরু বলেন, ‘দিনদিন ব্যাংকটির ওপর গ্রাহকের আস্থা বাড়ছে। হাঁটছে ভালোর দিকে, উন্নতির পথে।’

ধারাবাহিক ক্রমোন্নতির মাধ্যমে ব্যাংকটিকে শীর্ষে নিয়ে যেতে আগামীতেও গ্রাহকদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে কোনো ধরনের গুজবে কান না দিতে এবং আধুনিক পদ্মা ব্যাংকে নিরাপদে ব্যাংকিং করতেও গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে এহসান খসরু পদ্মা-ওয়ালেট, পদ্মা-আই ব্যাংকিং, নারী গ্রাহকদের জন্য পদ্মাবতী ও পদ্মা প্রতিদিনসহ ব্যাংকের বিভিন্ন আধুনিক প্রোডাক্ট গ্রাহকদের সামনে তুলে ধরেন।

এর আগে সম্প্রতি ধানমন্ডির দুই নম্বর সড়ক থেকে ৫/এ-বিকল্প টাওয়ারে নিজেদের শাখা স্থানান্তর কাজ সম্পন্ন করে ব্যাংকটি।

ধানমন্ডিতে আয়োজিত গ্রাহক সমাবেশ ও শাখা স্থানান্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পদ্মা ব্যাংকের চিফ অপারেটিং অফিসার জাবেদ আমিন এবং ধানমন্ডি শাখা প্রধান শ্যামল দত্ত, ব্যাংকের মানবসম্পদ

বিভাগের প্রধান এম আহসান উল্লাহ খান, এসইভিপি হেড অফ আরএএমডি অ্যান্ড ল ফিরোজ আলম, সিএফও মো. শরিফুল ইসলাম এবং বিজনেস হেড খন্দকার জীবানুর রহমান।

এছাড়া এসময় ব্যাংকের অন্যান্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ আনছে বেসরকারি খাতের পদ্মা ব্যাংক। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক খ্যাতনামা বিনিয়োগ ব্যাংক ডেল মর্গান অ্যান্ড কোম্পানির সঙ্গে বেশ কিছু দিন আগেই ব্যাংকটির এ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বাংলাদেশের আর্থিক খাতের ইতিহাসে এটি এক নতুন অধ্যায়। আগামী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যেই এ বিনিয়োগ আসবে। বিনিয়োগের মধ্যে ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা আসবে ইক্যুইটি বিনিয়োগ হিসেবে। এছাড়া বাকি টাকা আসবে ঋণ হিসেবে।