ছাত্রসংসদে ছাত্রলীগের আধিক্য থাকায় এখনো ডাকসুকে সচল করা সম্ভব হয়নি

রবিবার, অক্টোবর ৬, ২০১৯

ঢাকা : ২৮ বছর পর চলতি বছরের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচনের ছয় মাস পরেও ডাকসু ইশতেহারের কিছুই দৃশ্যমান করতে পারেনি বলে দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা।

ডাকসু সচল করার বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছাত্রসংসদের নেতারা। তবে ভিপি নুরুল হক নূর বলছেন, ‘ছাত্রসংসদে ছাত্রলীগের আধিক্য থাকায় এখনো ডাকসুকে সচল করা সম্ভব হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচিত প্রতিনিধি হলে অন্তত এ সমস্যার প্রতিকার হবে। যার শিক্ষার্থীদের দিয়ে রাজনৈতিক দাসত্ব করিয়ে আসছে তারাই ২৩ জন কিন্তু নেতৃত্বে রয়েছেন।’

সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, প্রত্যেকটা দলই বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ইশতেহার দিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। মূল সমস্যাগুলোর কোন সমধান হয়নি। তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের পর ক্যাম্পাসে কিছু সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ভাড়ার বিনিময়ে সাইকেল চালুর সিদ্ধান্ত হলেও শিক্ষার্থীদের মৌলিক দাবি বাস্তবায়নে গত ছয় মাসেও কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ।

ডাকসু সদস্য তানভীর হাসান সৈকত বলেন, ‘উপাচার্যকে ১৫ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছি। ১৫ দিনের মধ্যে যদি কোনো দৃশ্যমান কিছু করতে না পারেন তাহলে আমরা ভিসি স্যারের বাসায় থাকব।’

ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘ডাকসুকে সচল করতে প্রয়োজন ইশতেহার বাস্তবায়ন।’