দুইশ’ কোটির ক্লাবে ‘মিশন মঙ্গল’

রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯

বিনোদন ডেস্ক : ২০১৩ সালের নভেম্বরে উৎক্ষেপিত হয় বহু প্রতীক্ষিত মঙ্গলযান। তার এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে পাঁচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র বহনকারী হালকা ওজনের এই স্যাটেলাইট মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করে। সৃষ্টি হয় ইতিহাস।

ভারতই প্রথম দেশ, যারা প্রথমবারের চেষ্টাতেই মঙ্গলগ্রহে মহাকাশযান পাঠাতে পেরেছে। তাও আবার মহাকাশ গবেষণায় তথাকথিত রথী-মহারথী আমেরিকা, রাশিয়া এবং চিনের তুলনায় অনেকগুণ কম খরচে। নিশ্চিতভাবেই এতে বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতের রাষ্ট্রীয় সম্মান, এবং সারা দুনিয়া জেনেছে বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন বা ইসরো-র বিজ্ঞানীদের আশ্চর্য দক্ষতা এবং উদ্ভাবনী শক্তির কথা।

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রথম পদক্ষেপেই সফল ‘মঙ্গল অভিযান’র কাহিনী পর্দায় নিয়ে এসেছে অক্ষয় কুমার, বিদ্যা বালান, তাপসী পন্নু, সোনাক্ষী সিনহার ছবি ‘মিশন মঙ্গল’। জগন শক্তি পরিচালিত এই ছবির চিত্রনাট্যকার ও ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর আর বাল্কি।

১৫ অগাস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। প্রথমদিনে সিনেমাটি বক্স অফিসে আয় করেছে ২৯.১৬ কোটি রুপি। আর মাত্র পাঁচ দিনে ছবির আয় ছাড়ায় ১০০ কোটি রুপি। পেয়েছে ব্লকবাস্টার তকমা। আর এবার ২০০ কোটির ক্লাবে (শুধুমাত্র ভারতে) প্রবেশ করলো সিনেমাটি। সিনেমাটির এ লক্ষ্যে পৌঁছাতে সময় লেগেছে ২৯ দিন। সিনেমা বাণিজ্য বিশ্লেষক তারান আদার্শ এক টুইট বার্তায় এই তথ্য জানান।

এদিকে চলতি বছর সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ‘মিশন মঙ্গল’। ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সর্বোচ্চ আয় করা ১০টি সিনেমার মধ্যে রয়েছে- ‘কবির সিং’, উরি, ‘ভারত’, ‘মিশন মঙ্গল’, ‘কেসারি’, ‘টোটাল ধামাল’, ‘সুপার থার্টি’, ‘গাল্লি বয়’, ‘দে দে পিয়ার দে’ এবং ‘মানিকার্নিকা’।

‘মিশন মঙ্গল’ তৈরিতে সর্বমোট খরচ হয়েছে ১০০ কোটি রুপি। মুক্তির প্রথম দিনেই ছবিটি আয় করেছে ২৮.৫ কোটি রুপি। যা অনুমানের চেয়ে বেশী ছিল। ভারতের মধ্যে ৩১০০ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। দৈনিক যার ১০ হাজার ৫০০ শো চলছে। হাউজফুল হচ্ছে বেশিরভাগ শো।