‘রোনালদোর দু’পায়ের মাঝের জায়গাটাই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে’

মঙ্গলবার, জানুয়ারি ৮, ২০১৯

স্পোর্টস ডেস্ক : বর্তমান সময়ের বিশ্বসেরা ফুটবলারদের একজন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। নান্দনিক ফুটবলশৈলী ও পায়ের জাদুতে যিনি গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিমোহিত করে রেখেছেন পুরো ফুটবল-দুনিয়াকে। পর্তুগালের এই তারকা ফুটবলারের ঝুলিতে রয়েছে পাঁচটি ব্যালন ডি’অর।

ক্লাবের হয়ে অনেক শিরোপা জেতার পাশাপাশি দেশের হয়ে জিতেছেন ইউরো কাপও। তাই তো ২০১৪ সালে রোনালদোর নিজ শহর পর্তুগালের মাদেরিয়া শহরে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ১১ ফুট উঁচু ব্রোঞ্জ মূর্তি স্থাপন করা হয়।

ফ্রি-কিক নেয়ার আগে পরিচিত ‘ট্রেডমার্ক’ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছেন—সিআর সেভেনের এমন মূর্তি তখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। তবে ওই সময় রোনালদোর মূর্তির নির্মাণ নিয়েও উঠেছিল প্রশ্ন।

ভাস্কর রিকার্ডো ভেলোজার বানানোর দোষেই সেই ১১ ফুটের মূর্তির পুরুষাঙ্গটি অদ্ভুভাবে উঁচু হয়ে এগিয়ে থাকে; যা দেখে পাঁচ বারের ব্যালন ডি’অরজয়ী ফুটবলারকে শিকার হতে হয় ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের। আবারও সেই একই কারণে খবরের শিরোনামে রোনালদোর সেই মূর্তি। তবে এবারের ঘটনাটা একটু অন্য রকম।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য সানের বরাত দিয়ে জানা যায়, এখন যারাই মূর্তিটি দেখছেন তারাই মূর্তির ওই বিশেষ জায়গাটি ধরে সেলফি বা ছবি তোলেন। ফলে ১১ ফুট মূর্তির পুরুষাঙ্গটির রং সোনালি হয়ে গেছে। যার জেরে আরও একবার হাস্যরস শুরু হয়েছে রোনালদোর প্রমাণ সাইজের সেই মূর্তি নিয়ে।

মাদেইরাতে ঘুরতে আসা এক পর্যটক ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলকে জানিয়েছেন, ‘আমি রোনাল্ডোর মূর্তির সঙ্গে একটা ছবি তুলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু যখনই ওটা আমি ফ্যামিলি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পোস্ট করি, তখন সবাই হাসাহাসি শুরু করে দেয়। রোনালদোর দু’পায়ের মাঝের জায়গাটাই সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।’

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের দাবি, পর্যটকরা রোনালদোর মূর্তির ওই বিশেষ জায়গাটি ধরেই ছবি তোলে। ফলে ওই জায়গায় এতবার হাতের ঘষা লেগেছে যে, ওখান থেকে ব্রোঞ্জের আস্তরণ খয়ে গিয়েছে। যার জেরে জায়গাটি সোনালি রং ধারণ করেছে। তবে এই যুক্তি ছাপিয়ে তুমুল হাস্যরসের শিকারই হচ্ছেন রোনালদো।