ঢাকা ডায়নামাইটসে উড়ে গেলো খুলনা

মঙ্গলবার, জানুয়ারি ৮, ২০১৯

স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) খুলনা টাইটানসকে উড়িয়ে দিলো ঢাকা ডায়নামাইটস। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বড় জয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকলো সাকিবের ঢাকা। অপরদিকে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও হারতে হলো মাহমুদুল্লাহর খুলনাকে।

মঙ্গলবার মাহমুদউল্লাহ’র দলকে ১০৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হারায় ঢাকা।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৯২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে ঢাকা। জবাবে ৮৭ রানের বেশি যেতে পারেনি খুলনা। দুই ম্যাচের দুটিতেই হারল তারা। প্রথম ম্যাচে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার রংপুর রাইডার্সের সঙ্গে লড়াই করে হেরেছিল খুলনা। রংপুরের সঙ্গে লড়াই করতে পারলেও ঢাকার কাছে একেবারেই অসহায় আত্মসমর্পণ করল দলটি।

প্রায় দুইশ ছুঁইছুঁই রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় খুলনা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে খুলনাকে ধাক্কা দেন সাকিব আল হাসান। আন্দ্রে রাসেলের ক্যাচ বানিয়ে পল স্টার্লিংকে ফেরান ঢাকার অধিনায়ক। পাঁচ বল মোকাবেলা করে মাত্র এক রান করতে পারেন আইরিশ তারকা।

বিদেশি তারকাকে হারানোর পর দলকে পথ দেখানোর দায়িত্ব নেন দুই দেশি ব্যাটসম্যান জহুরুল হক ও জুনায়েদ সিদ্দীক। জহুরুলের গতি একটু ধীর হলেও বেশ মারমুখি ছিলেন সিদ্দীক। সুনিল নারিনের বলে রুবেল হোসেনকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ধীরগতির জহুরুল।

আগ্রাসনটা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেননি জুনায়েদও। ১৬ বলে ৩১ রানে ফেরেন। তিন ছক্কা ও এক চার হাকিয়ে সাকিবের দ্বিতীয় শিকার হন তিনি।

দলের নড়বড়ে অবস্থায় খুঁটি হতে পারেননি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। ৭ বলে ৮ রান করে শুভাগত হোমের বলে পোলার্ডের হাতে ধরা পড়েন। দ্রুতই অধিনায়কের পথ অনুসরণ করেন নাজমুল হোসোন শান্ত। ১৫ বলে ১৩ রান করতে পারেন এ উদীয়মান ব্যাটসম্যান।

ম্যাচের মাঝপথেই ব্যাকফুটে চলে যায় খুলনা। সেখান থেকে আর বের হতে পারেনি। ১৯২ রানের টার্গেটে শুধু ৯২’র আগেই ৮ উইকেট হারায় তারা।

ডেভিড ওয়াইজ (৬) ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাকিবের তৃতীয় শিকার হওয়ার পর রানআউট হন তাইজুল ইসলাম (২)। ব্যাট হাতে নেমে দ্বিতীয় বলেই নারিনের শিকার শরিফুল ইসলাম। খাতা খোলার আগে রানআউট হন আফগান স্পিনার জহির খানও।

সেই সঙ্গে খেলাও শেষ হয়ে যায়। কারণ ইনজুরির কারণে ব্যাট করতে নামতে পারেননি পাকিস্তানি পেসার আলি খান। তাতে ১০৫ রানের বড় হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় মাহমুদউল্লাহদের।

ঢাকার হয়ে সাকিব তিন উইকেট ছাড়াও দুটি উইকেট পান নারিন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন শুভাগত হোম ও মোহর শেখ।