ক্যান্সার-এর কোষ দূর করে যেসব জুস

শুক্রবার, জানুয়ারি ৪, ২০১৯

স্বাস্থ্য ডেস্ক : আপেল, গাজর ও বিট-এর জুস এমনি এক অলৌকিক জুস যেটা শরিরে থাকা ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে। আপেল, বিট আর গাজর দিয়ে বানাতে পারেন এই জুস।

অনেক দিন থেকেই এই জুসের প্রচারণা চলছে। আর এটা একটা প্রমাণিত সত্যও বটে। একজন বিখ্যাত সংগীত শিল্পী মিঃ সেতো এই জুস খেয়ে উপকৃত হয়েছেন, তার ফুসফুসে ক্যান্সার হয়েছিল। এরপর থেকেই মিঃ সেতো এই জুসের ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করা শুরু করলেন যাদের ক্যান্সার রয়েছে। এই জুস আপনার শরীরে ক্যান্সার কোষ তৈরি হওয়া যেমন প্রতিরোধ করবে আবার ক্যান্সার কোষ ধ্বংসও করবে। মিঃ সেতোকে এই জুস পান করার পরামর্শ দিয়েছিলেন চীনের একজন বিখ্যাত ভেষজ বিশেষজ্ঞ। মাত্র ৩ মাস খাওয়ার পর তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠলেন।
আপনি চাইলে পরিমানমতো লেবু মিশিয়ে নিতে পারেন যেটা আপনাকে একটু সতেজ করে তুলবে।

যেসব ক্ষেত্রে আপনি এই জুস থেকে বেশি উপকৃত হতে পারেনঃ
ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং প্রতিকারে
লিভার, কিডনি ও অগ্ন্যাশয় জনিত রোগ
ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, হার্ট এটাক ও উচ্চ রক্তচাপ থেকে মুক্তি দেয়।
দ্রুত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
চোখের সমস্যা যেমন চোখের লালবর্ণ ও শুষ্ক হয়ে যাওয়া।
শরীরের যে কোন ব্যাথা উপশম করে।
এটা পরিপাকতন্ত্রকে পরিশোধন করে এবং পরিপাকক্রিয়াকে সহজ করে।
কোষ্ঠকাঠিন্যতা থেকেও মুক্তি পেতে পারেন।
এই জুস আপনার ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল করবে এবং ব্রণ সমস্যার প্রতিকার করবে।aa

যা যা লাগবেঃ
১। আপেল-১টি
২। বীট-মূল১টি
৩। গাজর – ১টি
৪। লেবুর জুস অথবা মধু

কিভাবে বানাবেনঃ
সবজি ও ফলগুলোকে ভালভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন।
কেটে ছোট ছোট পিস করুণ।
জুস মেশিন এ সবগুলো দিয়ে জুস বানিয়ে নিন।
প্রয়োজনমতো পানি মিশিয়ে পাতলা করে নিতে পারেন।
অবশেষে গ্লাসে ঢেলে পরিমানমতো লেবু বা মধু মিশিয়ে নিন।
কখন খেতে হবেঃ

সকালে খালি পেটে খাবেন। খাওয়ার এক ঘণ্টা পর নাস্তা করবেন।
এই ব্যাপারে আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন এই জুসের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। এটা উচ্চমাত্রায় পুষ্টিকর এবং সহজেই হজম হয়।
এছাড়াও বাড়তি মেদ ভূড়ি কমাতে এই জুস অনেক কার্যকরী।
এই জুস শুধু যে আপনি রোগ নিরাময়ে খাবেন তা নয়, এটা কিন্তু খেতে অনেক সুস্বাদুও যদি ভালভাবে বানাতে পারেন। এমনকি আপনি অতিথি আপ্যায়নেও এই জুস দিতে পারেন।

মনে রাখবেন বীট মূল আপনি সুপরিচিত সব সুপারস্টোর গুলোতেই পাবেন।