স্বাস্থ্য সম্পর্কিত টিপস

রবিবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৮

স্বাস্থ্য ডেস্ক : আমাদের শরীরকে ঠিক রাখতে হবে। শরীর ঠিক না থাকলে কোনো কিছুই ঠিক মত করা যাবে না। সারাদিনের কাজ করার জন্য সকাল ঠিক মতো শুরু করতে হবে।

আর সকাল শুরু হয় নাস্তা দিয়ে। সকালের নাস্তা ঠিক মতো না হলে সারাদিনের কাজ মাটি হয়ে যায়। তাই সকালের নাস্তার দিকে নজর দিতে হবে।

আর তাই সকালের নাস্তা ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে কিছু টিপস জেনে নিন-

সকালের নাস্তা আমাদের করতেই হবে। তা না হলে সারাদিনের কর্ম ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাবে। তাই সকালের নাস্তার ভালো ও পুষ্টিকর খাবার রাখতে হবে। এ জন্য সকালের নাস্তায় টোস্ট, পনির, শাক সবজি, দুধ জাতীয় কোনো খাবার ও ফল রাখতে পারেন।

এছাড়া যেসব খাবার খেলে সারাদিন শরীরের কর্ম ক্ষমতা বজায় থাকবে ও কাজ-কর্মে মনোযোগ ঠিক থাকবে সে ধরণের খাবার খেতে হবে। প্রতি বেলা ভাত তরকারি খেতে হবে এমন কোনো মানে নেই। ফলমূল ও শাক সবজি খেতে পারেন। এ ধরণের খাবারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলস থাকে।

তাই দুই কাপ ফল ও আড়াই কাপ শাক সবজি তরকারি রান্না করে খেতে হবে। তবেই শরীর অনেক ভালো থাকবে। এছাড়াও শরীর ভালো রাখার জন্য প্রোটিন দরকার। প্রোটিনের ঘাটতি হলেও শরীর ঠিক থাকবে না। তাই খাদ্য তালিকায় মাংস ও ফ্যাটবিহীন দুধ রাখতে পারেন। এভাবে স্বস্থ্যের জন্য উপকারি খাবার নিয়ে খাদ্য তালিকা সাজাতে হবে।

আমরা জানি, পরিশ্রম করলে শরীল ভালো থাকে। রক্ত চাপ কম থাকে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই শরীর ভালো রাখার জন্য পরিশ্রম অবশ্যই করতে হবে। যারা শিশু ও কিশোর তাদেরকে প্রতিদিন নিয়ম করে এক ঘণ্টা ব্যায়াম করার চেষ্টা করতে হবে। যারা বয়স্ক তাদের ব্যায়াম বেশি পরিমাণে করতে হবে। কারণে তাদের শারীরিক পরিশ্রম খুব বেশি হয় না। তাই ব্যায়ামের মাধ্যমেই তাদের শরীর সচল রাখতে হবে। শরীরকে কষ্ট দিবে না এমন সহজ কিছু ব্যায়াম করতে পারেন। তবে স্বাস্থ্য অনেক ভালো থাকবে।

কিশোর, যুবক ও বয়স্ক মানুষদের প্রতিদিন সকাল বেলা কম পক্ষে ত্রিশ মিনিটের মতো হাঁটার চেষ্টা করতে হবে। প্রতি বেলার খাবার ছাড়াও একটি করে অতিরিক্ত খাবার রাখা উচিত। যেমন: মাখন, বাদাম ও মিষ্টি। এ ধরণের খাবারগুলো খেলে শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হবে না। ফলে স্বাস্থ্য অনেক ভালো থাকবে। এর সঙ্গে নিয়মিত আপেল খেতে পারেন। কারণ এ ধরণের খাবারগুলোতে প্রোটিন ও কার্বো হাইড্রেডের মাত্রা বেশি থাকে। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই প্রয়োজন। খাদ্য তালিকা এমন করে সাঁজাতে হবে যাতে বেশি ফ্যাটযুক্ত খাবার থাকবে না। খুবই কম ফ্যাটযুক্ত খাবার থাকবে। আর ক্যালরি পরিমাণমতো থাকতে হবে। ক্যালরি অতিরিক্ত ও কম হতে পারবে না।

রান্না ভালো ভাবে করতে হবে। অল্প সময়ের মধ্যে তাড়াহুড়ো করে রান্না করে খেলে হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই রান্না ঠিক মতো করতে হবে। খেতে বসার আগে হাত পরিষ্কার করে নিতে হবে। বাইরে থেকে আসলে ফ্রেশ হয়ে খাবার খেতে হবে।

শিশুদের জন্য টিফিনে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার রাখতে হবে। টিফিন বক্স প্রতিদিন ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে। টিফিনের খাবারগুলো ভালো ভাবে সেদ্ধ করে রান্না করতে হবে। কারণ শিশুদের স্বাস্থ্য খাবার থেকে বেড়ে উঠে। তাই শিশুদের খাবারের দিকে নজর দিতে হবে। পেশীতে ঠিক মতো অক্সিজেন সরবরাহ করার জন্য পরিমান মতো পানি খেতে হবে।

চা সবাই খায়। চায়ে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। যা শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। একবারে বেশি চা খেলে দুধ ছাড়াও খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

যারা কর্মস্থলে কাজ করে তাদের সোজা হয়ে বসে কাজ করতে হবে। তা নাহলে কোমড়ে, পিঠে ও ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। এক নাগাড়ে বসে কাজ করা যাবে না। মাঝে মাঝে একটু আশে-পাশে হাটা চলা করতে হবে। তবে এ ধরণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে এসব নিয়ম মেনে চলতে হবে।