আশঙ্কাজনক অবস্থায় হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়েছে নুরুদ্দিনকে

সোমবার, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৮

শরীয়তপুর : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা চালানোর সময় হামলায় গুরুতর আহত বিএনপি প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপুকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে।

আজ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে শরিয়তপুর থেকে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে নুরুদ্দিনকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি নুরুজ্জামান শিপন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গুরুতর আহত মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপুকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অপুকে এখন হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে।

গুরুতর আহত মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু শরীয়তপুর-৩ (ভেদরগঞ্জ-ডামুড্যা-গোসাইরহাট) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের এপিএস।

জানা গেছে, আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নুরুদ্দিন নেতাকর্মীদের নিয়ে গোসাইরহাট উপজেলার কুদালপুর থেকে মিছিল করে উপজেলা সদরে যাচ্ছিলেন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মিছিলটি সদরের পট্টি এলাকায় পৌঁছালে নৌকার স্লোগান দিয়ে একদল যুবক রামদা ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

এ সময় তারা নুরুদ্দিনের মাথা ও ঘাড়ে রামদা দিয়ে এলোপাতারি কুপিয়ে জখম করে। পরে নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে কুদালপুর ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশুকেন্দ্রে নিয়ে আসেন। এখন আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকায় আনা হচ্ছে। হামলার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

নুরুদ্দিন দাবি করেন, তাকে মেরে ফেলার জন্য আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষের লোকজন এ হামলা চালিয়েছে। তিনি এলাকায় নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।