সেনাবাহিনীকে স্বাগত জানিয়ে যা বলল ঐক্যফ্রন্ট

রবিবার, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৮

ঢাকা : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) থেকে অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবেলায় মাঠে নামছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সোমবার থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র ও ভোটগ্রহণের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে এবং নির্বাচনি এলাকায় যে কোনো ধরনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই সময়ে কাজ করবেন তারা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মাঠ পর্যায়ে সেনাবাহিনী নামার আগের দিন রবিবার (২৩ ডিসেম্বর) সেনবাহিনীর উদ্দেশ্যে বিবৃতি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

বিবৃতিতে সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য দেশের ভাবমূর্তিকে কলঙ্কিত করবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা সশস্ত্র বাহিনীকে স্বাগত জানাই। আশা করছি সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের ফলে নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করবে যা এতদিন ছিল না।’

ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আশা করছি সশস্ত্র বাহিনী জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে কিংবা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করবে না। সশস্ত্র বাহিনীর ওপর দেশ ও দেশের ইমেজ নির্ভর করে।’

আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে তারা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ।

এদিকে গত বুধবার সেনাবাহিনী নিয়ে পরিপত্র জারি করে নির্বাচন কমিশন। পরিপত্রে বলা হয়, ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ থেকে ১৩২ ধারা অনুযায়ী কাজ করবে সশস্ত্র বাহিনী।

অন্য কোনো উপায়ে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা না গেলে সেক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীকে ডাকা হলে ঘটনাস্থলে থাকা সর্বোচ্চ পদের ম্যাজিস্ট্রেট তাদের শক্তি প্রয়োগ ও গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারবেন।

জরুরি পরিস্থিতিতে যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে কমিশন্ড অফিসার সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ এবং গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারবেন।