ইসলামের দৃষ্টিতে ভোটপ্রার্থী কেমন হওয়া চাই?

রবিবার, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৮

ঢাকা : চলছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা। আর ৯ দিন পরেই ভোটাররা তাদের প্রতিনিধি বেছে নেবেন। একজন আদর্শ প্রার্থীর জন্য কিছু গুণাবলি অপরিহার্য । যা প্রার্থীকে নেতৃত্ব দিতে সাহায্য করবে। এবং তার মাধ্যমে দেশ ও জাতি সুফল পাবে। দেশে সুখ ও আনন্দের জোয়ার বইবে।

এমন কিছু গুণাবলির তালিকা দেয়া হলো
১. প্রার্থীর মধ্যে নেতৃত্বের মাহে থাকতে পারবে না। সে কাজ করবে দেশ ও জাতির স্বার্থে, ব্যক্তি স্বার্থে নয়। নেতৃত্বের প্রতি মােহ থাকলে মানুষ ব্যক্তি স্বার্থ ত্যাগ করে বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষার তাগিদে কাজ করতে পারে না।

২. প্রার্থীর মধ্যে বিনয় থাকতে হবে। কথা-বার্তা, আচার-আচরণে বিনয় না থাকলে বরং অহংকার থাকলে সেরূপ নেতাকে কেউ মনে প্রাণে গ্রহণ করতে চায় না।

৩, সমস্যা ও সংকটের মুহূর্তে প্রার্থীর অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে দলীয় সদস্যরা নেতাকে স্বার্থপর বা ভীরু ভাবতে না পারে, কিংবা নিজেদেরকে যেন তারা অসহায় না ভাবে।

৪,’ অনুসারী ও দলীয় সদস্যদের প্রতি সহানুভূতি থাকতে হবে এবং তাদের সুবিধা-অসুবিধা ও আশা-আকাঙ্খার খোঁজ-খবর রাখতে হবে।

৫. ভালবাসা দিতে ও ভালবাসা নিতে পারার গুণ থাকতে হবে। এরূপ হলে প্রার্থীর উপস্থিতি কর্মী ও দলীয় সদস্যদের কাছে কাম্য হবে এবং নেতা-কর্মীদের মন জয় করতে পারবেন।

৬. প্রার্থীর মধ্যে বুদ্ধিমত্তা এবং সমস্যা ও তার সমাধান সম্বন্ধে পরিজ্ঞান থাকতে হবে, যাতে তিনি পরিবেশ, পরিস্থিতি ও সমস্যার নানা দিক বিশ্লেষণ পূর্বক যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

৭. প্রার্থীর আদর্শস্থানীয় হতে হবে, যাতে তার স্বভাব-চরিত্র ও নীতি নৈতিকতা দেখে তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হয় এবং অনুসারীরা আদর্শচ্যুত হওয়ার দুঃসাহস না পায়। কেননা এরূপ নেতার নিকট আদর্শহীনতা প্রশ্রয় পাবে না ।

৮, প্রার্থীর চরমপন্থী হবেন না, নিজস্ব মতামত চাপিয়ে দেয়ার জন্য গো ধরবেন না বরং প্রয়ােজনের তাগিদে মূল আদর্শ বহাল রেখে নীতি নির্ধারণ ও পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে আপােষের মনোভাব নিয়ে চলবেন।

সূত্র: ইসলামিক ওয়েবসাইট