‘ঢাকা শহরের দুয়েকটি এলাকা ছাড়া বিরোধী দলের পোস্টার নেই’

বুধবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৮

ঢাকা : ইংরেজী দৈনিক নিউ এজ পত্রিকার সম্পাদক নুরুল কবীর বলেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য প্রতিটি নির্বাচনে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য অভিযান চালানো হয়।

আর বৈধ অস্ত্রগুলোও নির্বাচনকে আশংকামুক্ত করার লক্ষ্যে জমা নেয়ার কথা বলা হয়। এবারের নির্বাচনে এসব কিছুই করা হয়নি। প্রচারণার সময় দেখলাম, ঢাকা শহরের দুয়েকটি এলাকা ছাড়া বিরোধী দলের পোস্টার নেই।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সরাসরি টক-শো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল কবীর বলেন, একমাত্র প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আঅয়ামী লীগের কেউ মানুষের কাছে ভোট চাচ্ছেন না। তারা হুমকি ধামকি ছাড়া কোনো কাজ করছে না। প্রধানমন্ত্রী রেডিও-টেলিভিশনে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সীমাবদ্ধতা আলোচনা করছেন এবং বিনয়ের সঙ্গে মানুষের কাছে ভোট চাইছেন। নির্বাচনে একজন প্রার্থীর এটিই হবার কথা কিন্তু তার পরের পর্যায়ের নেতারা এলাকায় গিয়ে যেই ইঙ্গিতটা দিচ্ছে, তা হলো আমরা জোর করে ভোটে জিতবো। আ’লীগ নেতাকর্মীদের এরকম ভীতি সঞ্চারমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্য, যাতে সাধারণ মানুষ ভোটকেন্দ্রে যেতে না পারে। এরকম কাজ গণবিচ্ছিন্ন সরকার ছাড়া কেউ করতে পারে না।

প্রথম থেকেই সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের মনোভাব আ’লীগের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়নি বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ছোট আকারে একটি মন্ত্রিসভা করার কথা বেশ কয়েকবার বলা হয়েছিল, তারা কিন্তু সেটি করেননি। প্রার্থীতা বাতিলের ক্ষেত্রে দেখা গেলো, বিরোধীদলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাচ্ছে। আর সরকারিদলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসন রদবদলের গুরুত্ব আছে, সেটিও তারা করেননি। বামপন্থী তরুণ জোনায়েদ সাকীকে খারাপ বলতে কাউকে শুনিনি। তার কর্মীদেরকেও মেরে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। যে ছোট্ট দলটি যারা এখনো ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী নয় তাদের এই অবস্থা, অন্যদের কী অবস্থা?