আইএসপি, আইআইজি ও ভিওআইপি ব্যবস্থা উন্মুক্ত করবে বিএনপি

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৮, ২০১৮

ঢাকা: তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের অধিক লাভজনক ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি) ব্যবসা উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইশতেহার প্রকাশ করেছে বিএনপি। এছাড়াও এনটিটিএন, আইএসপি ও আইআইজি ব্যবসাও উন্মুক্ত করে দেয়া ঘোষণা দেয়া হয়েছে দলটি ইশতেহারে।

মঙ্গলবার (১৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে লেকসোর হোটেলে সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে ইশতেহার পাঠ করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দলটির ইশতেহারের তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যাপারে বলা হয়েছে-

>> তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে বিদেশ হতে অর্জিত অর্থ দেশে আনয়নের ক্ষেত্রে সকল প্রকার অযৌক্তিক বাধা দূর করা হবে। ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং-এর সাথে জড়িত সকলকে সুবিধা দেয়ার উদ্দেশে স্বল্প চার্জে Global Payment Gateway সুবিধা দেয়া হবে।
>> Nationwide Telecommunication Transmission Network (NTTN), Internet Service Provider (ISP) এবং International Internet Gateway (IIG) মার্কেট উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এর ফলে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে, দক্ষতা বাড়বে এবং ইন্টারনেট ব্যয় হ্রাস পাবে।
>> অগমেনটেড রিয়্যালিটি, এ্যানিমেশন এবং রোবটিকস তৈরী খাতে গবেষনা ও বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হবে। START UP FUND, IT Innovation Fund এবং Venture Capital দিয়ে দেশের স্থানীয় সমস্যার জন্য তথ্য প্রযুক্তির সলিউশান ডেভেলাপ করতে উৎসাহ দেয়া হবে।
>> পাঁচ বছরের মধ্যে সম্পূর্নভাবে ই-গভর্নমেন্ট চালু করার জন্য ক্লাউড ভিত্তিক এন্টারপ্রাইজ এপ্লিকেশন ডেভেলপ করতে সরকার দেশি প্রযুক্তি ব্যবহারে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেবে।
>> ভিওআইপি ব্যবস্থা উন্মুক্ত করে এই খাতে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে।
>> সৃজনশীল ব্যক্তির মেধাস্বত্বের অধিকার নিশ্চিত করা হবে। শুধু সাব-কন্ট্রাক্ট নয়, আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনে স্থানীয় কোম্পানীগুলোকে সহায়তা দেয়া হবে। একইসঙ্গে স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত সফটওয়ার ব্যবহারে স্থানীয় কোম্পানীগুলোকে উৎসাহিত করা হবে। প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্বরান্বিতকরণ তহবিলসহ আইটি ইনকিউবেটর এবং ল্যাবরেটরী ব্যবস্থা সংযোজিত হবে।
>> ইন্টারনেট অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মোবাইল ডাটার জন্য এবং ব্রডব্যান্ডের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী মূল্যে সময়োপযোগী সর্বোচ্চ গতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করা হবে।
>> তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত সকল প্রকার উপকরণ সামগ্রীর ওপর শূন্য শুল্ক সুবিধা বজায় রাখা হবে।
>> মেট্রোপলিটন এলাকা, পৌরসভা, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রশাসনিক কেন্দ্রসমূহকে ক্রমান্বয়ে স্মার্ট সিটি, স্মার্ট পৌরসভা, স্মার্ট গ্রাম ও স্মার্ট ক্যাম্পাসে রূপান্তরিত করা হবে।