‘খামোশ’ বলে সাংবাদিকদের চুপ করিয়ে দেয়া যাবে না : বি চৌধুরী

সোমবার, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৮

ঢাকা : ‘খামোশ’ বলে সাংবাদিকদের চুপ করিয়ে দেয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

সম্প্রতি ড. কামাল হোসেন বুদ্বিজীবী স্মৃতিসৌধে এক সাংবাদিককে ‘খামোশ’ বলার প্রেক্ষিতে বি. চৌধুরী বলেন, ‘সাংবাদিকদের কথা বলার ক্ষমতা দিতে হবে। ‘খামোশ’ বলে সাংবাদিকদের চুপ করিয়ে দেয়া যাবে না। তাদের অধিকার রয়েছে ন্যায় অন্যায়ের কথা বলার।’

সোমবার (১৭ ডি‌সেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর রুনি মিলোনায়তনে যুক্তফ্রন্ট আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট যথাযথ প্রতিনিধি পায়নি বলে অভি‌যোগ ক‌রে ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘খুব স্বল্প সময়ে জোট গঠন করায় এমন পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে।’ তবে আগামী ইউনিয়ন ও উপজেলা নির্বাচনে সারাদেশে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক কুলা মার্কায় প্রার্থী দেয়ার ঘোষণা দেন বি. চৌধুরী।

আগামী নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি।

দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে জিডিপি আরও বৃদ্ধি পেতো এমন কথা উল্লেখ করে তি‌নি ব‌লেন, ‘দুর্নীতি থাকলে সরকারের অগ্রগতি খেয়ে ফেলবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার ব্যবস্থা ও সমাজ ব্যবস্থায় অব্যবস্থাপনা হচ্ছে, এটাও দুর্নীতি।’

এ সময় মুক্তিযুদ্ধের কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা একই ফিরিস্তি নিয়ে কাজ শুরু করেছি। আমাদের মূল্য লক্ষ হবে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা।’

গত ১০ বছরে দেশে আমুল উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই ধারাকে অব্যাহত রাখতে মহাজোটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি।’

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহন নিশ্চিত হয়েছে। এখন প্রয়োজন সকল দলকে সমান সুযোগ দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা।’

অন্য বক্তারা বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্ট জয়ী হলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন সেটা নিশ্চিত হয়নি। এমন সমস্যার কারণে ভারতের বিগত নির্বাচনে কংগ্রেসের ভরাডুবি হয়েছিলো।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তফ্রন্টের সমন্বয়ক সামস আল মামুন। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন, বিকল্পধারার প্রেসেডিয়াম সদস্য মাজাহারুল হক চৌধুরী।