ব্যবসায়ী হত্যার চারদিন পর কর্তন হওয়া মাথা উদ্ধার

রবিবার, নভেম্বর ১১, ২০১৮

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : ১১ নভেম্বর ২০১৮। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার চারদিন পর মাগুরা গ্রামের ধান ক্ষেত থেকে কর্তন করা মাথা উদ্ধার করেছে পুলিশ। নবাবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার বিরামপুর অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত সোহেল রানা নবাবগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান, ফজলার রহমান সহ পুলিশ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও ¯’ানীয় জনতার সহায়তায় মাথাটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

ব্যবসায়ী হত্যার পর তদন্তে এক পর্যায়ে ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টায় নবাবগঞ্জ উপজেলা শালখুরিয়া ইউনিয়নে মাগুরা গ্রামের ধান ক্ষেতে থেকে ব্যবসায়ী মাথা উদ্ধার করে। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় বাড়ি থেকে ডেকে এক কাঠ ব্যবসায়ীকে খুন করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে উপজেলার ছোট মাগুরা গ্রামের ধানখেত থেকে তাঁর মাথাহীন ধড় উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়। নিহত ব্যবসায়ীর নাম মো. নুরুজ্জামান সরকার (৪৮)। তিনি বিরামপুর উপজেলার পৌর শহরের চাঁদপুর মহল্যার মৃত নঈমুদ্দিন সরকারের ছেলে। আটক ব্যক্তির নাম মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি নিহত নুরুজ্জামানের ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন।

নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের তথ্যমতে, রফিকুল ইসলামের কাছে কাঠ বিক্রির টাকা পেতেন নুরুজ্জামান। অনেক দিন অতিবাহিত হলেও সেই টাকা পরিশোধ করছিলেন না রফিকুল। সম্প্রতি রফিকুল বাকিতে কাঠ চান নুরুজ্জামানের কাছ থেকে।

আগের পাওনা টাকা পরিশোধ না করলে বাকিতে আর কাঠ দেবেন না বলে রফিকুলকে জানিয়ে দেন নুরুজ্জামান। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে বিরামপুর থেকে নুরুজ্জামানকে ডেকে নিয়ে যান রফিকুল। রফিকুলের বাড়ি নবাবগঞ্জের ছোট মাগুরা গ্রামে।

নুরুজ্জামান পরিবারকে জানিয়ে রফিকুলের সঙ্গে মাগুরা গ্রামে যান। বাড়িতে ফিরতে দেরি হলে রাত আটটার সময় নুরুজ্জামানের স্ত্রী তাঁকে ফোন করেন। এ সময় নুরুজ্জামান জানান, তিনি রফিকুলের বাড়িতে আছেন। এরপর থেকে নুরুজ্জামানের মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যেরা বিষয়টি পুলিশকে জানালে গত বৃহস্পতিবার ভোরে রফিকুলকে আটক করে পুলিশ।