দেশে নূনতম আইনের শাসন থাকলে খালাস পাবেন খালেদা জিয়া

রবিবার, অক্টোবর ২৮, ২০১৮

ঢাকা : বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশে নূনতম আইনের শাসন থাকলে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়া বেকসুর খালাস পাবেন।

আজ রোববার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় দুর্নীতির কাল্পনিক যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অবাস্তব। এখানে কোনো দুর্নীতি হয় নি। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এতে জড়ানো হয়েছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে আটকে রাখা হয়েছে। তাঁকে সঠিক চিকিৎসাও দেওয়া হচ্ছে না। সরকারকে বলতো অতিসত্বর খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করুন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ভোটারবিহীন সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা, একতরফা নির্বাচন করতে সব অস্ত্র ব্যবহার করছেন, যাতে তার ক্ষমতায় থাকাটা নিষ্কন্টক হয়। এই কারণে তার আজ্ঞাবাহী নির্বাচন কমিশন দিয়ে জালিয়াতির বাক্স ইভিএম চালু করতে চাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশন কতিপয় ‘আত্মবিক্রয়’ করা লোকজনদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার চিরদিনের জন্য হরণ করে নিতে ইসি, শেখ হাসিনার মনোবাসনা পূরণে নিরন্তর কাজ করছে।

সীমিত আকারে ইভিএম ব্যবহার হবে- প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, সিইসি ও ইসি সচিব দু’জনই আওয়ামী সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সদা তৎপর। আর রংপুরে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বললেন, ইভিএম ব্যবহার করা হবে কী না, তা এখনও অনিশ্চিত। একটি ভোটারবিহীন নির্বাচন করার জন্য ভোটারদেরকে গোলক ধাঁধার মধ্যে ফেলতে কমিশনের কর্তাব্যক্তিরা এসমস্ত বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলছেন। আসলে ইভিএমের নামে মহা জালিয়াতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তারা।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীনদের কিছু লোকের পকেট ভারি করার জন্য সারা দুনিয়ায় ধিকৃত ও বিতর্কিত ইভিএম মেশিন ৩৮২৫ কোটি টাকায় কেনা হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কতিপয় কমিশনার ভোটারবিহীন সরকারের একনিষ্ঠ সেবক বলেই এদেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহার নিয়ে বিরোধীতা সত্ত্বেও, সেই ইভিএম আগামী নির্বাচনে ব্যবহার করতে চাচ্ছে।