বেড়িয়ে আসুন স্বর্গ দ্বীপ বোরা বোরা থেকে

বুধবার, অক্টোবর ২৪, ২০১৮

ঢাকা : বিয়ের পর মধুচন্দ্রিমা কোথায় যাবেন, সেটা নিয়ে দম্পতিদের চিন্তার কোনো শেষ থাকে না। যারা সমুদ্র ভালোবাসেন তারা বাংলাদেশের যান কক্সবাজার বা সেন্টমার্টিন। আর দেশের বাইরে যেতে চাইলে চলে যেতে পারেন বোরা বোরা দ্বীপে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়ার একটি ছোট্ট দ্বীপ বোরা বোরা। যা অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার মোটামুটি মাঝামাঝিতে। পৃথিবীর বুকে যেন সত্যিকারের স্বর্গ এই দ্বীপটা। পর্বত আর সমুদ্রের এ ধরনের অসাধারণ সমন্বয় এটি। দ্বীপটি উপর থেকে একটি মালার মতো মনে হয়।

অগভীর লেগুনের উপরই গড়ে উঠেছে পাঁচ তারকা মানের সব রিসোর্ট। এ রিসোর্টগুলোর প্রত্যেকটি পানির উপরে গড়ে ওঠা আলাদা এক একটি বাংলো।

প্রত্যেকটি বাংলো এমনভাবে তৈরি যখন ইচ্ছে পানিতে ঝাপিয়ে পড়তে পারবেন এবং উঠতে পারবেন। প্রশান্ত মহাসাগরের হাজার রকমের মাছ ঘুরে বেড়ায় এ লেগুনে। তার মধ্যে হাঙরও রয়েছে। তবে ভয়ের কিছু নেই, এই প্রজাতির হাঙর মানুষকে আক্রমণ করে না। চাইলে হাঙরগুলোকে খাওয়াতেও পারেন।

তবে কিছুটা কম খরচের কিছু রিসোর্টও আছে যেগুলো পানির উপর না, দ্বীপের দিকে। সেগুলোর সৌন্দর্যও কোনো অংশে কম না। শুধু রিসোর্টের সৌন্দর্য নয়, বোরা বোরা দ্বীপে প্যারাসেইলিং করা যায়।

এছাড়াও রয়েছে আরো অনেকগুলো অ্যাডভেঞ্চার। হেলিকপ্টার ভাড়া করে ঘোরা যায় পুরো দ্বীপ। যেতে পারেন স্বচ্ছ তলদেশে বোট নিয়ে ঘুরতে। দ্বীপগুলোর খাবারের কথা তো বলাই হয়নি। এখানে সব খাবারই পরিবেশন করা হয় তবে সীফুডের প্রাধান্যই থাকে বেশি।

পৃথিবীর সেরা হানিমুন গন্তব্যের খরচটাও কম নয়। বাংলোগুলোর প্রতিদিনের ভাড়াই বাংলাদেশি টাকায় ৭০,০০০ টাকার মতো। পানির উপরের বাংলোগুলোতে না থেকে দ্বীপের দিকে থাকলে ভাড়া কিছুটা কম পড়বে। তবে সেটাও ৫০,০০০ টাকার কম না। আর অ্যাডভেঞ্চার এর জন্য আলাদাভাবে ৩২,০০০ টাকা খরচ পড়বে।

বাংলাদেশ থেকে বিমানে বোরা বোরা পৌঁছাতে কমপক্ষে ৪টি কানেক্টিং ফ্লাইটের প্রয়োজন পড়বে। খরচও পড়বে জনপ্রতি অন্তত ৪,০০,০০০ টাকা। সেখানে যাওয়ার জন্য ফরাসি ভিসার প্রয়োজন পড়বে যার আবেদন করতে হবে ফরাসি দূতাবাস থেকে।